আলসারেটিভ কোলাইটিস থেকে মরণব্যাধি কোলন ক্যান্সার

আলসারেটিভ কোলাইটিস থেকে হতে পারে মরণব্যাধি কোলন ক্যান্সার আলসারেটিভ কোলাইটিস যথাযথভাবে চিকিৎসা করা না হলে কোলোরেকটাল ক্যান্সার হয়ে প্রতি ৬ জনের একজন মৃত্যুবরণ করতে পারে। কোলোনের অনিয়ন্ত্রিত প্রদাহের দীর্ঘসূত্রিতা এবং রোগের বিস্তৃতির কারণে ডিসপ্লাসিয়া এবং ক্যান্সারের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এভাবে যারা দীর্ঘমেয়াদী এবং বিস্তৃত কোলোরেকটাল ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত তাদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি অনেক বেশি। সামগ্রিকভাবে রোগ […]
হায়াটাস হার্নিয়া কি কঠিন কোন রোগ?

হায়াটাস হার্নিয়া হলো যখন ডায়াফ্রাম বা মধ্যচ্ছদা’র মাংসপেশীর দুর্বলতার কারণে পাকস্থলীর অংশবিশেষ বুকের দিকে উঠে আসে। ফলশ্রুতিতে এসিড রিফ্লাক্স হয়ে বুক জ্বালাপোড়ার সমস্যা দেখা দেয়। হায়াটাস হার্নিয়া দুই প্রকার- (১) স্লাইডিং হায়াটাস হার্নিয়া – এই প্রকারের হার্নিয়াই সচরাচর বেশি পাওয়া যায় এবং এসিড রিফ্লাক্স এর লক্ষ্মণগুলো প্রকাশ করে। (২) প্যারা-ইসোফেজিয়াল বা রোলিং হায়াটাস হার্নিয়া – […]
ন্যাশ (NASH) একটি নীরব ঘাতক ব্যাধিঃ

ফ্যাটি লিভার হলো লিভারে যখন ৫% এরও বেশি চর্বি জমে যায় এবং এর ফলে লিভারের আকার আকৃতি বৃদ্ধি পায় ও লিভারের স্বাভাবিক কার্যাবলী হ্রাস পায়। বিশ্বে প্রতি ৪ জনে ১ জন ফ্যাটি লিভার রোগে আক্রান্ত এবং এ রোগের অগ্রগতির পরবর্তী ধাপ হচ্ছে ন্যাশ (NASH) ন্যাশ হলো লিভারে যখন ৫% এরও বেশি চর্বি থাকে এবং সেই […]
পিত্তথলির পাথর প্রতিরোধে কী কী পদক্ষেপ নিতে হবে

পিত্তথলির পাথর প্রতিরোধে করণীয় পদক্ষেপঃ ১) দৈনন্দিন খাবার গ্রহণে অনিয়ম করা যাবে না, ২) দেহের ওজনাধিক্য নিরসনে তা ধীরে ধীরে কমাতে হবে… কেননা দ্রুত ওজন কমালে পিত্ত থলিতে পাথর জমতে পারে। তাই দেহের অতিরিক্ত ওজন কমাতে গেলে প্রতি সপ্তাহে অন্তত ০.৫ থেকে ১ কেজি ওজন কমানোই বাঞ্ছনীয়। ৩) প্রচুর পরিমানে আঁশযুক্ত খাবার খেতে হবে — […]
লিভারের সমস্যা যেমন চোখ ও প্রস্রাবের রং হলুদ হয়ে জন্ডিস দেখা দেওয়া

লিভারের সমস্যা যেমন চোখ ও প্রস্রাবের রং হলুদ হয়ে জন্ডিস দেখা দেওয়া, খাওয়ায় অরুচি, বমি বমি ভাব কিংবা বমি, শারীরিক দুর্বলতা, অল্প আয়াসেই ক্লান্ত হয়ে পড়া, আলস্য, শরীর মেজমেজ করা, কাজে অনীহা, শুয়ে থাকতে ইচ্ছে করা, শরীর জ্বালা পোড়া করা, জ্বর কিংবা জ্বরের অনুভূতি, হাড় জোড়া ব্যথা করা, পেটের উপরিভাগে ডান দিকে ব্যথা করা, পেটে […]
ফ্যাটি লিভার হলে কি কি প্রবলেম হয়?

ফ্যাটি লিভার হলে নিম্নোক্ত সমস্যা দেখা দিতে পারে – ১) লিভার ফাংশন খারাপ হয়ে SGPT বেড়ে যায় ; ২) শারীরিক দুর্বলতা, আলস্য, কাজে অনীহা, শরীর ম্যাজম্যাজ করা, শুয়ে থাকতে ইচ্ছে করা ; ৩) যেহেতু ফ্যাটি লিভার একাকী হয় না, ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের কারণে এর সাথে দেহের ওজনাধিক্য, স্থূলাকৃতি, রক্তে চর্বির আধিক্য বা ডিসলিপিডেমিয়া, রক্তে শর্করার আধিক্য […]
১২টি লিভার সিরোসিসের প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ার কারণ

লিভার সিরোসিস হলো লিভারের একটি দীর্ঘমেয়াদি এবং ধীরে ধীরে অগ্রসরমান রোগ, যেখানে লিভারের সুস্থ কোষ ধ্বংস হয়ে যায় এবং এর পরিবর্তে আঁশযুক্ত টিস্যু বা দাগ পড়ে। এই প্রক্রিয়াটি লিভারের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয় এবং দীর্ঘমেয়াদে লিভার সম্পূর্ণরূপে অকেজো হতে পারে। লিভার সিরোসিসের কারণে শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজ যেমন বিষাক্ত পদার্থ দূর করা, প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান শোষণ […]
রিপোর্টে SGPT বেশি হলে কি কি রোগ নির্দেশ করে?

ক) স্বল্পতম বৃদ্ধি পেলে < 100 U/L ★ ক্রনিক হেপাটাইটিস বি ★ ক্রনিক হেপাটাইটিস সি ★ ফ্যাটি লিভার ★ মদ্যপান জনিত হেপাটাইটিস ★ হিমোক্রোম্যাটোসিস (লিভারে মাত্রাতিরিক্ত আয়রন জমে গেলে) খ) মোটামুটি বৃদ্ধি পেলে 100-200 U/L ★ উপরেরগুলো এবং সেই সাথে – ★ ন্যাশ বা NASH ★ অটোইমিউন হেপাটাইটিস ★ উইলসন’স ডিজিজ (লিভারে মাত্রাতিরিক্ত কপার জমে […]
অতিরিক্ত খাবার আর নয়ঃ বেশি বেশি খেয়েই আমরা অসুস্থ হচ্ছি

দেহের স্থূলতা সার্বজনীন রোগের বোঝা (Global Burden of Disease) বা ঝুঁকি হিসেবে দিনকে দিন বেড়েই চলেছে। ক্ষীণকায় ব্যক্তি মোটা হচ্ছেন আর মোটা ব্যক্তি আরও স্থূলতায় ভুগছেন। দেখা যাচ্ছে প্রতি বছর একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষ ১ কেজি করে দৈহিক ওজন বৃদ্ধি করছেন। বর্তমানের এই ঘটনাপ্রবাহ মানুষকে স্থূলতা-বান্ধব অবস্থায় নিয়ে যাচ্ছে যেখানে মানুষ কায়িক পরিশ্রম বিমুখ হয়ে […]
সাধারণত ছোট বাচ্চাদের নিম্নোক্ত কারণে পেটে ব্যথা হতে পারেঃ

১) এসিডিটি বা গ্যাসের সমস্যায় ২) প্রস্রাবের ইনফেকশন ৩) কোষ্ঠকাঠিন্য ৪) পেটে কৃমি ৫) বাজে খাবার গ্রহণ (ফাস্ট ফুড, প্রসেসড ফুড, স্ট্রিট ফুড, চটকদার বিজ্ঞাপন দেখে আকৃষ্ট হওয়া খাবার, ক্যানড ও প্যাকটজাত খাবার, সফট ড্রিংকস, এনার্জি ড্রিংকস, চকলেট, চানাচুর, চটপটি, ফুচকা, আচার, চাটনি, ঝালমুড়ি, ভেলপুরি ইত্যাদি) ৬) সাইকোজেনিক বা ফাংশনাল (স্কুল ভীতি, পড়ালেখায় অনীহা, শিক্ষক […]
স্বাস্থ্য ভালো থাকা সত্বেও শারীরিক দুর্বলতার কারণ হলো –

১) রক্তে চর্বির আধিক্য বা Dyslipidaemia ২) রক্তে সুগারের আধিক্য বা Daiabetes ৩) SGPT বেশি হলে ৪) হাইপোথাইরয়েডিজম থাকলে ৫) দেহের ওজনাধিক্য বা স্থূলাকৃতি থাকলে ৬) দেহে রক্ত স্বল্পতা দেখা দিলে ৭) দেহে আমিষ বা প্রোটিনের ঘাটতি থাকলে (Protein loosing enteropathy) ৮) ক্রনিক লিভার ডিজিজ ৯) ক্রনিক কিডনি ডিজিজ ১০) ক্রনিক হার্ট ফেইলিউর ১১) ওষুধের […]
আলসারেটিভ কোলাইটিস থেকে হতে পারে ক্যান্সারওঃ

আলসারেটিভ কোলাইটিস যথাযথভাবে চিকিৎসা করা না হলে কোলোরেকটাল ক্যান্সার হয়ে প্রতি ৬ জনের একজন মৃত্যুবরণ করতে পারে। কোলোনের অনিয়ন্ত্রিত প্রদাহের দীর্ঘসূত্রিতা এবং রোগের বিস্তৃতির কারণে ডিসপ্লাসিয়া এবং ক্যান্সারের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এভাবে যারা দীর্ঘমেয়াদী এবং বিস্তৃত আলসারেটিভ কোলাইটিস রোগে আক্রান্ত তাদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি অনেক বেশি। সামগ্রিকভাবে রোগ নির্ণয়ের দশ বছরে ১ শতাংশ হারে এবং ৩০ […]
